Ibrahim Cardiac
 
 
 
 
 
 
 
জাতীয় অধ্যাপক ডা. মোহাম্মদ ইব্রাহিম এর ৩৩তম মৃত্যুবার্ষিকী "সেবা দিবস" উদযাপন PDF Print E-mail
Thursday, 08 September 2022 12:11

 

গত ৬ সেপ্টেম্বর ২০২২ খ্রিস্টাব্দে বাংলাদেশ ডায়াবেটিক সমিতির প্রতিষ্ঠাতা জাতীয় অধ্যাপক ডা. মোহাম্মদ ইব্রাহিম এর ৩৩তম মৃত্যুবার্ষিকী "সেবা দিবস" উদযাপন উপলক্ষ্যে বরাবরের মতো সকাল ৮টায় বনানীস্থ কবরস্থানে ইব্রাহিম কার্ডিয়াকের পক্ষ থেকে দোয়া ও মোনাজাত সহ পুষ্পস্তবক অর্পণ করা হয়। ইব্রাহিম কার্ডিয়াকের গৃহীত কর্মসূচি বাস্তবায়নের পদক্ষেপ হিসেবে, আগত রোগীদেরকে ফেইস মাস্ক (ইব্রাহিম কার্ডিয়াকের লোগো সম্বলিত) প্রদান করা হয়।

ইব্রাহিম কার্ডিয়াক হসপিটালের গ্রাউন্ড ফ্লোর ডিসপ্লেতে জাতীয় অধ্যাপক ডা. মোহাম্মদ ইব্রাহিম এর ৩৩তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষ্যে শ্রদ্ধাঞ্জলি ব্যনার প্রদর্শন করা হয় এবং ৪র্থ তালার লবিতে ভিডিও ডকুমেন্টরি প্রদর্শন করা হয়।

জাতীয় অধ্যাপক ডা. মোহাম্মদ ইব্রাহিম এর ৩৩তম মৃত্যুবার্ষিকী "সেবা দিবস" উদযাপন উপলক্ষ্যে বিশেষ “কার্ডিয়াক বার্তা” প্রকাশ করা হয়।

জাতীয় অধ্যাপক ডা. মোহাম্মদ ইব্রাহিম এর ৩৩তম মৃত্যুবার্ষিকী "সেবা দিবস" উদযাপন উপলক্ষ্যে বেলা ১১.৩০ মিনিটে বাডাস কর্তৃক আয়োজিত ইব্রাহিম কার্ডিয়াক হসপিটালের শহীদ মেজর সালেক চৌধুরী বীর উত্তম কনফারেন্স হলে ২৭তম ‘ইব্রাহিম মেমোরিয়াল ওরেশন’ (ইব্রাহিম স্মারক বক্তৃতা) অনুষ্ঠিত হয়। বাংলাদেশ ডায়াবেটিক সমিতির সভাপতি জাতীয় অধ্যাপক এ কে আজাদ খানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে স্মারক বক্তৃতা করেন কিডনি ফাউন্ডেশনের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি ও কিডনি ফাউন্ডেশন হসপিটাল এন্ড রিসার্চ ইনস্টিটিউটের চিফ কনসালটেন্ট অধ্যাপক হারুন-উর-রশিদ। এছাড়া, বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ ডায়াবেটিক সমিতির মহাসচিব মোহাম্মদ সাইফ উদ্দিন। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন সমিতির যুগ্ম-মহাসচিব অধ্যাপক রশিদ-ই মাহবুব, অধ্যাপক ডা: এম এ রশিদ, প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ও সিনিয়র কনসালটেন্ট, কার্ডিওলজি, ইব্রাহিম কার্ডিয়াক হসপিটাল; বিআইএইচএস-এর মহাপরিচালক অধ্যাপক এম ফজলুর রহমান; ডা: মো: মজিবুর রহমান, হসপিটাল সুপারিনটেনডেন্ট, ইব্রাহিম কার্ডিয়াক হসপিটাল, ইব্রাহিম মেডিকেল কলেজ ও ইব্রাহিম নার্সিং কলেজের ছাত্র-ছাত্রি সহ অত্র হাসপাতালের ঊর্ধ্বতন চিকিৎসক, নার্স, কর্মকর্তা ও কর্মচারীবৃন্দ। উল্লেখ্য, ইব্রাহিম মেমোরিয়াল ওরেশন-এর জন্য প্রতি বছর দেশ-বিদেশের একজন গুরুত্বপূর্ণ চিকিৎসক-গবেষককে স্মারক বক্তৃতা দেয়ার জন্য আমন্ত্রণ জানানো হয় এবং তাঁকে স্বর্ণপদকে ভূষিত করা হয়।